ই-কমার্স গ্রাহকদের লোভ কমানোর পরামর্শ হাইকোর্টের

0
46

সর্বশেষ আপডেট সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১ | ইমরান

ই-কমার্সের ফাঁদ থেকে বাঁচতে গ্রাহকদের লোভ কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হওয়ায় গ্রাহকদের লোভ কমাতে জনস্বার্থে প্রচারণা চালানোর পরামর্শও দিয়েছেন আদালত।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

শুনানির একপর্যায়ে আদালত আইনজীবী শিশির মনিরকে ই-কমার্স ব্যবসার বিষয়ে কিছু বলতে বলেন। এ সম্পর্কে একটা ধারণা দিতে বলেন। তখন আইনজীবী শিশির মনির ই-কমার্স নিয়ে আদালতকে বলেন, আমাদের দেশে ই-কমার্স ব্যবসার নামে অনেক বেশি ফ্রি অফার থাকে। যা বিদেশি প্রতিষ্ঠান আলিবাবা বা অ্যামাজনে থাকে না। আমাদের দেশের গ্রাহকেরা অতি লোভে পড়ে প্রতারণার শিকার হন।

তখন আদালত বলেন, হ্যাঁ আমরা তো দেখি, একটা কিনলে আরেকটা ফ্রি। বিমানের টিকিট কিনলে হোটেল ফ্রি। আপনারা তো পাবলিক ইন্টারেস্টের মামলা করেন। আপনাদের উচিত পাবলিকদের সচেতন করা, তারা যেন এক্ষেত্রে লোভ কমান।

তখন আইনজীবী শিশির মনির আদালতকে বলেন, আমাদের দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিষয়টা এমন যে, প্রথমে তারা অফার দেবে- একটা মোটরসাইকেলের টাকায় দুইটা মোটরসাইকেল। এরপর গ্রাহকরা টাকা দিয়ে মোটরসাইকেল পাবে এবং টাকাটা বাংলাদেশ ব্যাংকের গেটওয়ে দিয়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে চলে যাবে। এরপর আবার দুইটা কিনলে আরও দুইটা ফ্রি, চারটা কিনলে আরও চারটা ফ্রি পাবে এমন অফার আসে।

তিনি আরও বলেন, কিন্তু এক পর্যায়ে যখন গ্রাহক অধিকসংখ্যক যেমন- আটটা মোটরসাইকেল কিনলে আরও আটটা মোটরসাইকেল পাওয়ার জন্য টাকা দেয় তখন সে টাকা চলে যায়, কিন্তু মোটরসাইকেল আর আসে না।

পরে ফোনালাপে আড়ি পাতা বন্ধ চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানির জন্য ২৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করে আদেশ দেন হাইকোর্ট।

এদিকে আইনজীবী শিশির মনির সাংবাদিকদের জানান, দেশের মানুষ প্রতারণার শিকার হচ্ছে বেশকিছু ই-কমার্স মার্কেট থেকে। তখন ইভ্যালি ও ই-অরেঞ্জ নিয়ে কথা উঠলে আদালত জনগণকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন।

পূর্ববর্তী সংবাদসৈকতে এক মাসে ৫ জনের মৃত্যু, উদ্ধার ৩১৫
পরবর্তী সংবাদপ্রধানমন্ত্রী জাস্ট একটা জাদুর পরিস্থিতি তৈরি করেন: রিজভী

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন